গুয়াহাটি, ৫ নভেম্বর: নদীর পাড়ে নির্মাণকাজ ও জমির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত বন্যা-সমভূমি জোনিং বিলের অগ্রগতি পর্যালোচনা করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। বৃহস্পতিবার আধিকারিকদের সঙ্গে এই বিষয়ে পর্যালোচনা বৈঠক করেন তিনি।
প্রস্তাবিত বিল অনুযায়ী, নদীর দু’পাশে নিষিদ্ধ ও নিয়ন্ত্রিত এলাকা চিহ্নিত করা হবে। বন্যাপ্রবণ এলাকায় নির্মাণকাজ ও অন্যান্য কার্যকলাপের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করা যাবে। বন্যার সময় নদী যাতে স্বাভাবিক গতিপথে প্রবাহিত হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা পায়, সেটিও এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
মুখ্যমন্ত্রীর দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বিলটি কার্যকর করার জন্য বিভিন্ন প্রশাসনিক স্তরে বন্যা জোনিং কর্তৃপক্ষ গঠনের প্রস্তাব রয়েছে। গ্রামীণ ও শহরাঞ্চল—উভয় ক্ষেত্রেই এই বিধান কার্যকর হবে। মানুষের জীবন, সম্পত্তি ও জীবিকার উপর বন্যার ক্ষতি কমানোই এর উদ্দেশ্য।
পর্যালোচনা বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী আধিকারিকদের নির্দেশ দেন, নদীর পাড়ে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী তফসিলি জনজাতি ও তফসিলি জাতিভুক্ত সম্প্রদায়ের স্বার্থ যাতে সুরক্ষিত থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে।
অসম বিধানসভার পরবর্তী অধিবেশনে বিলটি পেশ করা হতে পারে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুলাই মাসে উচ্চ অসমের শিবসাগর, চরাইদেউ, যোরহাট ও গোলাঘাট জেলায় বন্যায় ১০৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল।