গুয়াহাটি, ৮ নভেম্বর: জাতীয় শিক্ষা নীতি, ২০২০ অনুযায়ী মাধ্যম হিসেবে চালু হওয়া জনজাতীয় ভাষাগুলির জন্য বিশেষ টেট পরীক্ষা নিয়ে প্রতিটি বিদ্যালয়ে অন্তত দু’জন করে ভাষার শিক্ষক দ্রুত নিয়োগের দাবি জানাল খিলঞ্জীয়া জনজাতীয় সাহিত্য সভা, অসম বা ইটছা।
রবিবার গুয়াহাটির পল্টনবাজারে জনজাতি জিরণী চ’রায় ইটছার বর্ধিত কার্যনির্বাহী সভায় এই প্রস্তাব গৃহীত হয়। সংগঠনের সভাপতি গোবিন্দ টাইডের সভাপতিত্বে সভাটি হয়। রাভা, মিশিং, তিওয়া, দেউরী, ডিমাসা, কার্বি-সহ বিভিন্ন ভাষার জন্য ওই বিশেষ টেট আয়োজনের দাবি জানানো হয়েছে।
সভায় সময়মতো পাঠ্যপুস্তক প্রকাশ ও সরবরাহেরও দাবি তোলা হয়। বড়ো ভাষায় দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত এবং গারো ভাষায় দশম শ্রেণি পর্যন্ত চালু হওয়া মাধ্যম কার্যকর করার ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। ইটছার নামে আগে প্রস্তাবিত জমি বরাদ্দের দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি।
আগামী ২০২৭ সালের এপ্রিলের মধ্যে ইটছার সাধারণ সভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ওই সভাতেই ইতিমধ্যে প্রণীত বড়ো, রাভা, মিশিং, তিওয়া, গারো, কার্বি, দেউরী ও ডিমাসা ভাষার পাশাপাশি ইংরেজি, অসমিয়া এবং হিন্দি মিলিয়ে ১১ ভাষার বহুভাষিক অভিধানটি প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সভায় প্রয়াত কমলাকান্ত মোসাহারির স্মরণে এক মিনিট নীরব প্রার্থনার মাধ্যমে শোকপ্রস্তাব গৃহীত হয়। তিনি ইটছার অন্যতম রূপকার ও কর্মনিষ্ঠ প্রধান সম্পাদক ছিলেন। বড়ো সাহিত্য সভার টানা তিন মেয়াদের সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমান মেয়াদের সহ-সভাপতিও ছিলেন তিনি।
ইটছার সম্পাদক যোগেশ্বর বরদলৈকে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সভায় বড়ো, মিশিং, রাভা, দেউরী, গারো, কার্বি, তিওয়া ও ডিমাসা সাহিত্য সভার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।